২০২০ সালের কথা। বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল না, কিন্তু বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য সত্যিকারের ভালো একটা প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল। বেশিরভাগ সাইট ছিল ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি ছিল অসুবিধাজনক, আর সাপোর্ট পেতে গেলে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হতো। bdtopearn ঠিক এই জায়গা থেকেই জন্ম নেয়।

একদল তরুণ বাংলাদেশি উদ্যোক্তা একটাই স্বপ্ন নিয়ে কাজ শুরু করেন — এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বানানো যেখানে ঢাকার তরুণ থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী, ময়মনসিংহের ছাত্র থেকে সিলেটের প্রবাসীর পরিবার — সবাই সহজে, নিরাপদে এবং আনন্দের সাথে বেটিং উপভোগ করতে পারেন।

"আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের মানুষ বাংলায় খেলবেন, বাংলায় সাপোর্ট পাবেন এবং বাংলাদেশি পেমেন্টেই লেনদেন করবেন। bdtopearn সেই স্বপ্নেরই বাস্তব রূপ।"

প্রথম বছরেই bdtopearn ৫০ হাজার নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর মাইলফলক পার করে। মানুষ আস্থা রেখেছিলেন কারণ bdtopearn তখনই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল — কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো কৃত্রিম বাধা নেই।

আমাদের দর্শন

bdtopearn মনে করে বেটিং একটি বিনোদন — জীবিকা নয়। এই দর্শন থেকেই আমরা দায়িত্বশীল গেমিং ফিচার তৈরি করেছি, সীমা নির্ধারণের সুবিধা দিয়েছি এবং সবসময় স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।

আমরা বিশ্বাস করি একজন সুখী ব্যবহারকারীই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে ভালো বিজ্ঞাপন। তাই bdtopearn কখনো বিভ্রান্তিকর বোনাস অফার দেয় না, কখনো উইথড্র জটিল করে রাখে না এবং সাপোর্ট চাইলে দ্রুততম সময়ে সাড়া দেয়।

বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশিদের দ্বারা

bdtopearn-এর পেছনে রয়েছেন বাংলাদেশি প্রযুক্তিবিদ, ডিজাইনার, বিশ্লেষক এবং গ্রাহক সেবা বিশেষজ্ঞরা। আমাদের অফিস ঢাকায়, সার্ভার উচ্চমানের নিরাপদ ডেটাসেন্টারে এবং দলের সদস্যরা সবাই বাংলাদেশি। তাই বাংলাদেশের ক্রিকেট মৌসুমে আমরা জানি কী দরকার, ঈদের সময় কী ধরনের অফার কার্যকর — কারণ আমরাও এই দেশেরই মানুষ।

আগামী দিনে bdtopearn আরও বড় হবে — নতুন গেম, নতুন স্পোর্টস মার্কেট, এবং আরও উন্নত প্রযুক্তি। কিন্তু একটা জিনিস বদলাবে না — বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা।